সাজা রামশোহন রায়- পণীত গ্রন্থাবলি |

সাাপশা্টেশিটিশিটিিস্পিশ্

শ্রীযুক্তরাঙজগনারায়ণ বসু

শ্রীযুক্তআনন্দচন্দ্র বেদান্তবাগীশ কর্তৃক সংগৃহীত পুনঃ প্রকাশিভ

শা্পাটি গে ৩৫ কক

কলিকাত। আদি-ব্রাঙ্মসমাজ-যন্ত্রে মুদ্রিত

১৭৯৫ শক |.

বিশ্তঞা গম

মহাঁঝ্স বাজ! বামমোঁছন বাযেব প্রণীত গ্রন্থ সকল এক্ষণে তি [শ্রাপা হইযা! উঠিঘ়াছে। বোধ হয আব দশ বহদৰ পাবে তাহার অধি ক্লাশ বিলোপদশা প্রাপ হইবে এক্ষণে ষদ্রি মে কল গ্রন্থ পুন, দিত পুনঃপ্রকাশিত না কবা মায়, তাহা হইলে দেশের একটি বিশেষ ক্ষতি হইবে সন্দেহ নাই কোন বিখ্যাত গ্রন্থৃকর্তী বলিযাছেন। কোন মন্ুধোব গ্রণীত গ্রন্থসমূহ. সংগ্রহ কবিয়া একত্রে প্রকাশ করা 'ভাহাব নকল গ্রকাব ম্মরণীয চিহ্ধ অপেক্ষা শ্রেঠতম ম্মরণীয় চিন .কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, মামারদিগে দেশের প্রধান রী .মহাত্ব। বাজা বামমোহন রাষের শ্মবণার্থ পথ্যন্ত উপরোক্ত করবিত্ত | নির্শিতি হইল ন।। রর উল্লিখিত শহাব জনা বিশেন ক্ষোভ 'পাগ রা আনা উক্ত মহ! সবার প্রণীত গ্রন্থ সকল সংগ্রহ পুনঃপ্রকাশে রুতসংকপ্প হই | আমরা: 'শীঘঘই গামাঁদেব সংকণ্প কাধে পরিণত করিতে পাবিতাম কিন্তু উক্ত ্রস্থমকল সংগত কর। যেরূপ কঠিন কার্ধা হাহ। অনেকে অবগত নহেন |, অনেক কষ্টে পুস্তকগুলি সংগৃহীত হইলেও অর্থের অভাব নিমিত্ত আমা- দিগকে চিন্তানিত হইতে হইয়াছিল এন্ষণে গ্রাহক মহাশমদিগের উপ- রেই নির্ভর করিষা সঙ্কপ্পিত কার্য সাধনে প্ররত্ত হইছি ঈশ্বর- গ্রপাদে এই দুষ্কব ব্রত উদ্মাপন কবিতে পাবিলে রু্তার্থ হই কি প্রণালীতে এই দমকল গ্রন্থু পুনমর্দিত হইতেছে, তাহা উল্লেখ

করা মাবশ্তক। কালক্রমান্নয়ে, যাহার পর যে গ্রন্থ বচিত হইয়াছিল, তাহার পরে সেই গ্রন্থুই প্রকাশ কবা ঘাইতেছে। কোন কোন স্তলে বিষয়ের একত্রীকবণনিমিত্ত এক এক খানি পয়ের গ্রন্থ পুর্বে প্রকাশ কৰা যাইবে অধিকাংশ গ্রন্থে গ্রস্থকারকর্তুক প্রথম মুদ্রাঙ্গণে তাহার তারিখ

নি লিখিত হইর়াছে। তন্দৃষ্টে পাঠকগণ গ্রন্থের পৌর্বাপযণ সহজেই নিক" পণ করিতে পারিবেন। যে গ্রন্থ যেরূপে আরস্ত, যেরূপে শেষ তদ- _ স্তর্্ত শ্লোকাদি যেরূপে বিন্যস্ত হইয়াছে, সমুদায় অবিকল মুদ্রিত হইবে প্রত্যেক গ্রন্থের প্রথমে আমরা একটি একটি আখ্যাপত্রে গ্রন্থের নাম নির্দেশ করিব। যেস্থলে গ্রন্থকার কৃত কোন আখ্যাপত্র * আছে, সেখানেও আমাদের একটি করিয়া আখ্যাপত্র সর্ব প্রথমে থাকিবে কতজ্ঞত। পূর্বক অঙ্গীকার করিতেছি, যে উক্ত মহাত্মার পৌত্র শ্রীযুক্ত বাবু হরিমোঁহুন রায় শ্রীযুক্ত বাবু প্যারীমোহন রায় মহাশয়গণ এই বিষয়ে সাহাধ্যার্থ আমাদিগকে ১০০ টাকা প্রদান করিয়াছেন। পরিশেষে ইহা স্বীকার কর! আবশহ্/ক যে শ্রীযুক্ত বাবু ঈশানচন্ত্র বস্থ স্বীয় আস্তরিক অন্থরাগ বশতঃ এই বিষয়ের প্রথম প্রস্তাব করেন এবং অধ্যবসায় সহকারে পুস্তকাদি সংগ্রহ করিয়া আমাদের যথেষ্ট সাহায্য করিতেছেন। শ্রীরাজনারায়ণ বন্তব। শ্রীআনন্দচন্ত্র বেদাস্তবাগীশ।

শত পেটা পাশ

বেদান্ত গ্রস্থ।

ভূমিকা

ওতৎসৎ বেদের পুনঃ পুনঃ গ্রতিজ্ঞার দ্বারা এবং বেদান্ত শাস্ত্রের বিবরণের দ্বারা এই প্রতিপন্ন হইয়াছে যে নকল বেদের প্রতিপাদ্য সদ্্রপ পরব্রন্গ হইয়াছেন যদি সংস্ক তশব্দের বুৎপত্তি বলেরদ্বারা ক্ষ পরমাত্া সর্বজ্ঞ ভূম! ইত্যাদি ব্রহ্গবাচক প্রসিদ্ধ শব্দ হইতে কৌন কোন দেবতা কিন্বা মন্্ধাকে প্রতিপন্ন কর তবে সংস্কৃত শব্দে যে সকল শান্তর কিন্ব কাবা বর্ণিত হইয়াছে তাহার অর্থের স্ের্য কোন মতে থাকে না যে হেতু বাৎপত্তি বলেতে কৃষ্ণ শব্দ আর রাম শব্দ পশুপতি শব্দ এবং কালী দুর্গাদি শব্দ হইতে অনা অনা বস্ত প্রতিপাদ্য হইয়া কোন্‌ শান্তর কি গ্রকাঁব তাৎপর্যা তাহার নিশ্চয় হইতে পারে না। ইহার কারণ এই যে শস্কৃতে নিষম করিয়াছেন যে শব্দ সকল প্রায়শ ধাতু হইতে বিশেষ বিশেন গ্রতায়ের দ্বারা নিষ্পন্ন হয় সেই ধাতুর অনেকার্থ এবং প্রতায়ো৷ নান! একার অর্থে হয় অতএব প্রতি শব্দের নানা প্রকার ঝুুৎপত্তি বলেতে অনেক প্রকার অর্থ হইতে পারে। অধিকন্ত কিঞ্চিৎ মনো! নিবেশ করিলে মকলে অনাযাসে নিশ্চয় করিবেন যে দদি রূপগুণ বিশিন্ট কোন দেবতা কিস্বা মনুষ্য বেদান্ত শাস্ত্র বক্তবা হইতেন তবে বেদান্ত পর্থশদধিক পণটশত সুত্রে কোন স্থানে মে দেবতার কিন্বা মন্থুষ্যের প্রসিদ্ধ নামের কিম্বা রূপের বর্ণন অবশ্য হইত কিন্তু সকল শ্মত্রেব্রচ্ম বাক শব্দ বিন! দেবত| কিনা মন্তুষ্যের কোন প্রসিদ্ধ নামের চষ্চার লেশ নাই। যদ্দি বল বেদে কোঁন কোন স্থানে রূপগুণ বিশিষ্ট দেবতার এবং মন্ত্রযোর বঙ্গত্র রূপে বর্ণন করিয়াছেন অতএব তীহারা সাক্ষাৎ ত্রক্ষরূপে উপাস্য হয়েম ইহার উত্তর এই অত্যপ্প মনোযোগ করিলেই প্রতীতি হইবেক যে এমত কথনের দ্বারা দেবতা কিছ্বা মনুষযের সাক্ষাৎ বশত প্রতিপন্ন য় নাই যেহেতু বেদেতে যেমন কোন কোন দেবতার এবং মন্ুষ্যের ব্রক্ষত্ব কথন দেখিতেছি দেই রূপ আকাশের এবং মনের এবং অন্বাদির স্থানে স্থানে বেদে ব্রঙ্গত্ব রূপে ব্ণন আছে এসকলকে ব্রহ্ম কথনের তাৎ্পর্ধ্য বেদের এই হয় যে বক্ষ সর্ব

(৮)

ময় হয়েন তাহার অধ্যাস করিয়া সকলকে ব্রন্গরূপে স্বীকার কর! যাঁয় পৃথক পৃথককে সাক্ষাৎ ব্রহ্ম বর্ণন করা বেদের তীৎপর্ধ্য নহে। এইমত সিদ্ধান্ত বেদ আপনি অনেক স্বানে করিয়াছেন তবে অনেকেই কখন পশু পক্ষীকে কখন মৃত্তিকা পাষাণ ইত্যাদিকে উপাস্য কণ্পনা করিয়া ইহাতে মনকে কি বুদ্ধির দ্বারা বদ্ধ করেন বোধগম্য করা যায় না এরূপ কণ্পন। কেবল অপ্পকাঁলের পরম্পর! দ্বারা এদেশে প্রসিদ্ধ হইয়াছে লোকেতে বেদাস্ত শাস্ত্রের অপ্রাচুর্্য নিমিত্ত স্বার্থপর পণ্ডিত সকলের বাক্য প্রবন্ধে এবং পুর্ব শিক্ষা! মংস্কারের বলেতে অনেক অনেক সুবোধ লোক এই কণ্পনাতে মগ্ধ আছেন নিমিত্ত অকিঞ্চন বেদান্ত শাস্ত্রের অর্থ ভাষাতে এক প্রকার যথা সাধ্য প্রকাশ করিলেক। ইহার দৃষ্টিতে জানিবেন যে আমারদের মূল শাস্ত্ান্ুসারে অতি পূর্ব্ব পরম্পরায় এবং বুদ্ধির বিবে- চনাতে জগতের অস্টা পাতা সংহর্ভ! ইত্যাদি বিশেষণ গুণে কেবল ঈশ্বব উপাস্য হইয়াছেন অথবা সমাধি বিষয় ক্ষমতাঁপন্ন হইলে সকল ব্রক্ষময় এমত রূপে সেই ব্রহ্ম সাধনীয় হয়েন।

তিন চারি বাক্য লোকের! প্রবৃত্তির নিমিত্ত রচনা করিয়াছেন লো- কেও তাহার পূর্বাপর না দেখিয়া! আপন আপন মতের পুষ্টি নিমিত্ত সকল বাক্যকে প্রমাণের ন্যায় জ্ঞান করেন এবং সর্বদা বিচার কালে কহেন। প্রথমত এই যাহাকে ব্রহ্ম জগণড কর্তা কহ তিহে1 বাক্য মনের অগোচর সুতরাং তাহার উপাসনা! অসন্তব হয় এই নিমিত্ত কোন রূপ গুণ বিশিষ্টকে জগতের কর্তী জানিয়া উপাসনা না করিলে নির্বাহ হইতে পাঁরে নাই অতএব রূপ গুণ বিশিষ্টের উপাসনা আবশ্যক হয়। ইহার সামান্য উত্তর এই যেকোন ব্যক্তি বাল্যকালে শত্রগ্রস্ত এবং দেশীস্তর হইয়া আপনার পিতার নিরূপণ কিছু জানে নাই এনিমিত্ত সেই ব্যক্তি যুবা হইলে পরে যে কোন বস্তু সন্মুখে পাইবেক তাহাকে পিতা রূপে গ্রহণ করিবেক এমত নহে বরঞ্চ সেই ব্যক্তি পিতার উদ্দেশে কোন ক্রিয়া করিবার সময়ে অথবা পিতার মঙ্গল প্রার্থন। করিবার কালে এই কছে যে যে জন জন্মদাতা তাহার শ্রেয় হউক সেই মত এখানেও জানিবে যে রঙ্গের স্বরূপ জ্রেয় নহে কিন্তু তাহার উপাদনা। কালে তীহাকে জগতের

১)

ত্রক্টী! পাতা সন্হর্ভী ইতাদি বিশেষণের দ্বারা লক্ষ্য করিতে হয় তাহা কষ্পনা কোন নম্বর নাম রূপে কিরূপ করা খাইতে পাঁরে। সর্ব! যে সকল বস্ত্র যেমন চন্ত্ স্্ধ্যাদি আমর! দেখি তাহার দ্বার! ব্যবহার নিষ্পন্ন করি ' তাঁহাঁরো যথার্থ স্বরূপ জানিতে পারি ইহাঁতেই বুঝিবে যে ঈশ্বর ইন্জি- য়ের অগোঁচর তীহার স্বরূপ কি রূপে জান! যায় কিন্তু জগতের নানাবিধ রচনার এবং নিয়মের দৃ্টিতে তাহার কর্তৃত্ব এবং নিয়ন্তত্ব নিশ্চয় হইলে কৃতকার্য হইবার সম্ভব হ্ম। সামান্য অবধানে নিশ্চয় হয় যে এই ছুরগম্য নান! প্রকার রচন| বিশিষ্ট জগতের কর্তী ইহা! হইতে ব্যাপক এবং অধিক শক্তিমান অবশ্য হইবেক ইহার এক অংশ কিন্বা! ইহার ব্যাপ্য কোন বস্তু ইহার কর্তা কি যুক্তিতে অঙ্গীকার কর! যায়। আর এক অধিক আশ্কর্য্য এই যে স্বজাতীয় বিজাতীয় অনেকেই নিরাকার ঈশ্বরের উদ্দেশে উপাসনা করিতেছেন ইহা' প্রত্যক্ষ দেখিতেছেন অথচ কহিতেছেন যে নিরাকার ঈশ্বর তাহার উপাসন| কোন মতে হইতে পারে না ১॥ দ্বিতীয় বাক্য রচনা এই যে পিতা পিতামহ এবং স্বর্গের! যে মতকে অবলম্বন করিয়াছেন তাহার অন্যথা করণ অতি অযোগ্য হয়। লোক সকলের পূর্ব পুরুষ এবং স্বর্গের প্রতি অত্যন্ত স্গেহ স্থৃতরাঁং এবাক্যকে পর পর্ব বিবেচনা না! করিয়া গ্রমাণ স্বীকার করেন ইহার সাধারণ উত্তর এই যে কেবল স্বর্গের মত হয় এই প্রমাণে মত গ্রহণ করা পশু জাতীয়ের ধর্ম হয় যে সর্ব্বদা স্বর্গের ক্রিয়ানুসারে কার্য করে। মনুষ্য যাহার সৎ অসৎ বিবেচনার বুদ্ধি আছে সে কি রূপে ক্রিয়ার দোষ গণ বিবেচনা! না করিয়া সবর্গে করেন এই প্রমাণে ব্যবহার এবং পরমার্থ কার্ধ্য নির্বাহ করিতে পারে। এই মত সর্বত্র সর্বকালে হইলে পর পৃথক পৃথক মত এপর্যন্ত হইত না বিশেষত আপনাদের মধ্যে দেখিতেছি যে এক জন বৈষ্ণবের কুলে জন্বা লইয়া শীক্ত হইতেছে দ্বিতীয় ব্যক্তি শাক্ত কুলে বৈষ্ণব হয় আর ম্মার্ত ভষ্টাচার্য্যের পরে যাঁহাকে এক শত বতসর হয় না যাবতীয় পরমার্থ কর্ম স্নান দান ব্রতোপবাস প্রভৃতি পূর্ব্ব মতের ভিন্ন প্রকারে হইতেছে আর সকলে কছেন যে পঞ্চ ব্রাহ্মণ যে কালে এদেশে আইসেন তাহাদের পা- য়েতে মোজী এবং জাম! ইত্যাদি বেশ এবং গো.যান ছিল তাহার পরে

ডি 4 গরে সে কল ব্যবহার কিছুই রহিল না আর ব্রাঙ্মণেব যবনাদিব দাসত্ব করা এবং যবনের শাস্ত্র পাঠ কবা এবং যবনকে শাস্ত্র পাঠ কবান কোন্‌ ' পূর্ব্ব ধর্ম ছিল। অতএব স্ববর্ে যে উপাসনা ওব্যবহার করেন তাহার ভিন্ন উপাসনা করা এবং পূর্ব পূর্ধব নিয়মের তাগ আপনারই সর্বদা স্বীকাৰ করিতেছি তবে কেন এমত বাক্যে বিশ্বাম করিয়। পরমার্থের উত্তম পথের চেস্টা না করা যায়॥ তৃতীয় বাক্য এই যে ব্রহ্ম উপাসন| করিলে মন্থষ্যের লৌকিক উদ্রাভদ্রে জ্ঞান এবং দুর্ন্ধি সুগন্ধি আর অগ্নি জলের পৃথক জ্ঞান থাকে না অতএব স্ৃতরাং ঈশ্বরের উপাসনা গৃহস্থ লোকের কিরূপে হইতে পারে। উত্তর। তীহাবা কি প্রমাণে এবাক্য রচনা করেন তাহা জানিতে পারি নাই যেহেতু আঁপনারাই স্বীকার করেন যে নারদ জনক অনৎকুমারাদি শুক বশিষ্ঠ ব্যান কপিল প্রভৃতি ব্রহ্ষজ্ঞানী ছিলেন অথচ ইহীরা অগ্রিকে অগ্রি জলকে জল ব্যবহার করিতেন এবং বাজ কর্ম মার গারস্থ্য এবং শিষা সকলকে জ্ঞানোপদেশ যথাযোগ্য করি- তেন তবে কি রূপে বিশ্বান কর! যায যে ব্রঙ্গজ্ঞানীর ভদ্রাতদ্রাদি জ্ঞান কিছুই থাকে নাই আর কি রূপে একথার আদর লোকে করেন তাহা জানিতে পারি না। বিশেৰতঃ আশ্চর্য্য এই যে ঈশ্বরের উপাসনাতে তক্জরীভদ্র জান থাকে আর ব্রহ্ম উপাসনাতে ভদ্্রীভদ্র জ্ঞানের বহিভূ্ত হইয়৷ লোক ক্ষিপ্ত হয় ইহাও লোকের বিশ্বাস জম্মে। যদ্দি কহ সর্বত্র ্রন্ষমজ্ঞান করিলে ভেদ জ্ঞান আর ভদ্রতিদ্রের জ্ঞান কেন থাকিবেক তাহার উত্তব এই যে লোক যাত্রা নির্বাহ নিমিত্ত পূর্বর পূর্ব ব্রন্ষক্তানীর ন্যায় চক্ষু কর্ণ হস্তাদির কর্ম চক্ষু কর্ণহস্তাদির দ্বারা অবশ্য করিতে হয় এবং পুত্রের সহিত পিতাঁর কর্ম পিতার সহিত পুত্রের ধর্ম আচরণ করিতে হই- বেক যেহেতু এসকল নিয়মের কর্তা ব্রহ্ম হয়েন। যেমন দশ জন ভ্রম বিশিষ্ট মন্থুষ্যের মধ্যে একজন অ্রান্ত যদি কালক্ষেপ করিতে চাহে সেই ভ্রম বিশিষ্ট লোক সকলের অতিপ্রায়ে দেহ যাত্রার নির্ব্বাহার্থ লৌকিক আচরণ করিবেক ৩॥ চতুর্থ বাক্য প্রবন্ধ এই যে পুরাণে এবং তস্ত্রাদিতে নাঁনা- বিধ সাকার .উপাসনার প্রয়োগ আছে অতএব সাকার উপাসনা কর্তব্য তাহার উত্তর এই। পুরাণ এবং তত্ত্রাদিতে যেমন সাকার উপাসনার

রঙ

(১১)

বিধি আছে সেই রূপ জ্ঞান প্রকরণে তাহাতেই লিখেন যে এসকল যত কহি সকল ব্রন্ষের রূপ কণ্পন। মাত্র অন্যথ! মনের দ্বারা যে রূপ কৃত্রিম হুইয়। উপাস্য হইবেন সেই রূপ মনের অন্য বিষয়ে সংযোগ হইলে ধ্বংসকে পায় আর হন্তের কৃত্রিম রূপ হস্তাদির দ্বারা কাঁলে কালে নষ্ট হয় অতএব যাবৎ নাম রূপ বিশিষ্ট বস্ত সকল নম্বর ব্রক্ষই কেবল ভ্রেয উপাস্য হয়েন। অতএব এই রূপ পুবাণ তান্তেব বর্ণন দ্বারা পূর্ন পুর্ব যে সাঁকাঁর বর্ণন কেবল ছুর্বলাধিকাবীর মনোরগ্নানের নিমিত্ত কবিয়াঁছেন এই নিশ্চয় হয়। আর বিশেষণ বুদ্ধির অতান্ত অগ্রাণ্ধ বস্তু কেবল পরম্পব অনৈক্য বচন বলেতে বুদ্ধিমান বাক্তিব গ্রান্থ হইতে পারে না শথচ পূর্ব বাকোর মীমাংসা পর বচনে পুরাণাদিতে দেখিতেছি যাহবা সকল বেদান্ত প্রতিপাদ্য পরমাত্মীর উপামন। না কবিঘ! পৃথক পৃথক কণ্পন। করিয়া উপাঁদনা করেন তাহাদিগ্যে জিজাসা কর্তবা যে সকল বন্তকে সাক্ষাৎ ঈশ্বর কহেন কিন্বা অপর কাহাকেও ঈশ্বর কহিষা ঠাহার প্রতিমূর্তি জানিয়া & নকল বস্তুর পুজাদি কবেন। ইহার উন্তবে াহাবা সকল বস্তুকে সাক্ষাৎ ঈশ্বর কহিতে পাবিবেন না যেহেতু নকল বস্ত্র নম্বব এবং প্রায় তাহাদের কৃত্রিম অথব! বন্শীকৃত হখেন | অতএব নে নম্বব এবং কৃত্রিম তাঁহার ঈশ্বরত্ব কিরূপে আছে স্বীকাব করিতে পারেন এবং প্রশ্নের উত্তরে ওসকল বস্তুকে ঈশ্বরের গ্রাতিমৃর্তি কহিতেও তাহারা সক্কচিত হইবেন যেহেতু ঈশ্বর ঘিনি অপরিমিত অতীন্দ্রিয় তাহার গ্রতিমূর্তি পরি মিত এবং ইন্দ্রিয় গ্রাহা হইতে পাঁরে না। ইহার কারণ এইযে যেমন তাহার প্রতিমূর্তি তদন্ুযায়ি হইতে চাহে এগানে তাহার বিপরীত দেখা মায় বরণ উপাসক মনুষ্য হয়েন সে মন্ুষ্যের বশীভূত সকল বস্ত হয়েন। এই প্র- শ্নের উত্তরে এরূপ যদি কহেন যে ব্রহ্ম সর্ঘময় অতএব সকল বন্বর উপাসনাধ ব্রদ্ষের উপাঁসন! সিদ্ধ হয় এই নিমিত্ত সকল বস্তুর উপাসনা করিতে হইয়াছে। তাহার উত্তর এই যে যদি ব্রহ্ম সর্বময় জানেন তবে বিশেষ বিশেষ র্ূপেতে পুজা করিবার তাঁৎপর্য্য হইত না। এস্থানে এমত যদ্রি কহেন যে ঈশ্বরের আবির্ভীব যে রূাপেতে অধিক মাছে তাহার উপা- সন] করা বাধ তাহার উন্তর এই | যে ন্ানাধিকা এবং হ্রাস বৃদ্ধি দ্বার]

( ১২ )

পরিমিত হইল সে ঈশ্বর পদের যোগ্য হইতে পারে না অতএব ঈশ্বর কোন স্থানে অধিক আছেন কোন স্থানে অণ্প অত্যন্ত অসম্ভাবনা বিশে- যত এসকল রূপে প্রত্যক্ষে কোন অলৌকিক আধিকা দেখা যাঁয় ন!। যদি কহেন এসকল রূপেতে মায়িক উপাধি খশ্বর্যের বাহুল্য আছে অতএব উপাস্য হয়েন তাহার উত্তর এই যে মায়িক উপাধি রশ্বর্য্যের হ্ুযুনাধি- কোর দ্বাবা লৌকিক উপাধির লঘুতা' গুরুতার স্বীকার করা যায় পরমার্থের সহিত লৌকিক উপাধির কি বিষয় আছে যেহেতু লৌকিক রশ্বর্য্ের দ্বারা পরমার্থে উপান্য হয় এমত স্বীকার করিলে অনেক দোষ লোকে উপস্থিত হইবেক। বন্ত্রত কাঁবণ এই যে বহুকাল অবধি এই সংস্কার হুইয়াছে যে কোন দৃশা কৃত্রিম বস্তুকে সম্মখে বাখাতে তাহাকে পুজা এবং আহারাদি নিবেদন কবাঁতে অত্যন্ত প্রীতি পাও যায়। প্রায়শ আমারদের মধ্যে এমত সুবোধ উত্তম ব্যক্তি আছেন যে কিঞ্চিৎ মনোনিবেশ করিলে এসকল কাণ্পনিক হইতে টিত্বকে নিবর্ত করিয়া! সর্ধ্ব সাক্ষী সদ্্রপ পররদ্ষের প্রতি চিত্তনিবেশ করেন এবং অকি্চনকে পবে পরে তুন্ট হয়েন। আমি এই বিবেচনায় এবং আশাঁতে তীাহারদের প্রসন্নতা উদ্দেশে এই যত্ব করি- লাম। বেদান্ত শাস্ত্রের ভাবাতে বিবরণ করাতে সংস্কতের শব্দ সকল স্থানে স্থানে দিয়! গিয়াছে ইহার দোষ যাহারা ভাষা এবং সংস্কৃত জানেন তাহারা লইবেন না কারণ বিচার যোগ্য বাক্য বিনাসংস্কৃত শব্দের দ্বারা কেবল স্বদেশীয় ভাষাতে বিবরণ করা যাঁয় না। আর আমি সাধ্যান্থুসারে স্থলত করিতে ক্রটি করি নাই উত্তম ব্যক্তি সকল যেখানে অশুদ্ধ দেখি- বেন তাহার পরিশৌধন করিবেন আর ভাষাম্ুরোধে কোন কোন শব্দ লিখা গিয়াছে তাহারে! দোষ মার্জনা করিবেন। উত্তরের লাঘব গৌরব প্রশ্্ের লঘুত। গুরুতার অন্নুদারে হয় অতএব পূর্ব্ণ লিখিত উত্তর সকলের গুরুত্ব লদৃত্ব তাহার ্রশ্বের গৌরব লাঘবের অন্ুুমারে জানিবেন সকল প্রশ্ন সর্বদা ্রবণে আইসে এনিমিত্ত এমত অযুক্ত প্রশ্ন সকলেরো উত্তর অনি- চ্ছিত হুইয়াও লিখা গেল ইতি শকা্দা ১৭৩৭ কলিকাতা

দৌজ্েয়মস্য শাস্ত্রস্য তথালোচ্য মমাজ্তাং। কৃপয়া স্বজনৈঃ শোঁধ্যা টয়োন্মিক্লিবন্ধনে।

চু

অনুষ্ঠান

ওতৎমৎ 1

প্রথমত বাঙ্গলা ভাষাতে আবশ্যক গৃহব্যাপার নির্বাহের যোগ্য কেবল কতক গুলিন শব্দ আছে। এভীষা সংস্ক'তের যেরূপ অধীন হয় তাহ! অন্য ভাষার ব্যাখ্যা! ইহাতে করিবার সময় স্পন্ট হইযা থাকে দ্বিতীয়ত এভাষায় গদ্যতে অদ্যাপি কোনো শান্তর কিম্বা কাব্য বর্ণনে আইসে না ইহাতে এত- দেশীয় অনেক লোক অনভ্যাস প্রযুক্ত ছুই তিন বাক্যের অস্বয় করিয়া গদ্য হইতে অর্থ বোধ করিতে হঠাৎ পারেন না ইহ! প্রতাক্ষ কান্ুনের তরজমার অর্থ বোধের সময় অনুভব হয়। অতএব বেদান্ত শাস্ত্রের ভাষার বিবরণ সামান্য আলাপের ভাষার ন্যায় স্থগম না পাইয়া কেহ কেহ ইহাতে মনোযোগের ন্যুনতা করিতে পারেন এনিমিত্ব ইহার অনুষ্ঠানের প্রকরণ লিখিতেছি। ধাঁহাদের সংস্কতে বুযুৎপত্তি কিঞ্চিতো! থাকিবেক আর যা হারা বুযুৎপন্ন লোকের সহিত সহবাস দ্বার! সাধু ভাষা কহেন আর শুনেন তাহাদের অপ্প শ্রমেই ইহাতে অধিকার জন্মিবেক। বাকোর প্রারন্ত আর সমাপ্রি এই দইয়ের বিবেচনা বিশেষ মতে করিতে উচিত হয়। যে যে স্থানে যখন যাহ| যেমন ইত্যাদি শব্দ আছে তাহার প্রতি শব্দ তখন তাহ। সেই রূপ ইত্যাদিকে পূর্ব্বের সহিত অগ্থিত করিয়া বাক্যের শেষ করিবেন। যাবৎ ক্রিয়া! না পাইবেন তাবৎ পর্যযস্ত বাক্যের শেষ অঙ্গীকার করিয়া অর্থ করিবার চেষ্টা না পাইবেন। কোন্‌ নামের সহিত কোন্‌ ক্রিয়ার অন্বয় হয় ইহার বিশেষ অনুসন্ধান করিবেন যেহেতু এক বাক কখন কখন কয়েক নাম এবং কয়েক ক্রিয়। থাকে ইহার মধ্যে কাহার স. হিত কাহার অন্বয় ইহ! ন| জানিলে অর্থজ্ঞান হইতে পারে ন1। তাহার উদা- হরণ এই। ব্রন্ধাহাকে সকল বেদে' গান করেন আর যাহার সত্তার অবলম্বন করিয়া জগতের নির্ব্ধাহ চলিতেছে সকলের উপাস্য হযেন। উদ্দাহরণে যদ্যপি বন্ধ শব্দকে সকলের প্রথমে দেখিতেছি তত্রাপি সকলের শেষে হয়েন এই যে ক্রিয়া শব্দ তাহার সহিত ব্রহ্ম শব্দের অন্বয় হইতেছে

(১৪ )

আর মধ্যেতে গাঁন করেন যে ক্রিয়া শব্দ আছে তাহার অন্বয় বেদ শব্দের সহিত আর চলিতেছে ক্রিয়৷ শব্দের সহিত নির্বাহ শব্দের অন্বয় হয়-। অর্থাৎ করিয়! যেখানে যেখানে বিবরণ আছে সেই বিবরণকে পর পূর্ব পদের সহিত অন্বিত যেন না! করেন এই অনুসারে অনুষ্ঠান করিলে অর্থ বোধ হুইবাতে বিলম্ব হইবেক না। আর ষাহাদের ব্যুৎ্পত্তি কিঞ্িতো নাই এবং বুযুৎ্পন্ন লোকের সহিত সহবাস নাই তাহার! পণ্ডিত ব্যক্তির সহায়তাতে অর্থ বোধ কিঞ্চিৎ কাল করিলে পশ্চাৎ স্বয়ং অর্থ বোধে সমর্থ হইবেন। বস্তুত মনোযোগ আবশ্যক হয়। এই বেদান্তের বিশেষ জ্ঞানের নিমিত্ত 'অনেক বর্ষ উত্তম পণ্ডিতের শ্রম করিতেছেন যদি দুই তিন মাস শ্রম করিলে শাস্ত্রের এক প্রকার অর্থ বোধ হইতে পারে তবে অনেক স্বলভ জানিয়! ইহাতে চিত্ব নিবেশ করা উচিত হয়।

কেহো৷ কেহো! শাস্ত্রে প্রৃত্তি হইবার উৎসাহের ভঙ্গ নিমিত্ত কহেন যে বেদের বিবরণ ভাবায় করাতে এবং শুনাতে পাপ আছে এবং শুর ভাষা স্ুনিলে পাতক হয় তাহাদিগ্যে জিজ্ঞান। কর্তব্য যে যখন তাহাবা শ্রুতি স্মৃতি জৈমিনি স্মত্র গীতা পুরাণ ইত্যাদি শাস্ত্র ছাত্রকে পাঠ করান তখন ভাষাতে তাহার বিবরণ করিয়া থাকেন কি ন! আর ছাত্রেরা সেই বিবরণকে শুনেন কি না আর মহাভারত যাহাকে পঞ্চম বেদ আর সাক্ষাৎ বেদার্থ কহা৷ যায় তাহার গ্লোক সকল শুদ্রের নিকট পাঠ করেন কি না এবং তাহার অর্থ শুদ্রকে বুঝান কি না শুদ্রেরাও্ড সেই বেদার্থের অর্থ এবং ইতিহাস পরস্পর আলাপেতে কহিয়া থাকেন কি ন৷ আর শ্রাদ্ধ দিতে শুদ্র নিকটে সকল উচ্চারণ করেন কি না। যদি এই রূপ সর্ধ্বদ। করিয়। থাকেন তবে বেদান্তের অর্থের বিবরণ ভাষাতে করিবাতে দোষের উল্লেখ কি রূপে করিতে পারেন স্থবোধ লোক সত্য শান্তর আর কাণ্প- নিক পথ ইহার বিবেচন| -অবশ্য করিতে পারিবেন কেহ কেহ কহেন ব্রহ্ম প্রাপ্তি যেমন রাজ প্রাপ্তি হয়। সেই রাঙ্জ প্রাপ্তি তাহার দ্বারীর উপা- সনা ব্যতিরেক হইতে পারে না সেই রূপ রূপ গুণ বিশিষ্টের উপাসন। বিন। ব্র্ম প্রাপ্তি হইবেক না। যদ্যপিও বাকা উত্তর ধোগ্য নহে তত্রাপি লোকের মন্দেহ দর করিবার নিমিত্ত লিখিতেছি। যে ব্যক্তি রাজ

( ১৫ )

গ্রাপ্তি নিমিত্ব ্বাবীর উপাসনা করে সে দ্ারীকে সাক্ষাৎ রাজা কহে না এখাঁনে তাহার বিপরীত দেখিতেছি যে রূপ গুণ বিশিম্টকে সাক্ষাৎ ব্রহ্ম কহিয়! উপাসনা করেন দ্বিতীয়ত রাঁজ। হইতে রাজার দ্বারী স্সাধ্য এবং নিকটস্থ সুতরাং তাহার দ্বার! রাজ প্রাপ্তি হয এখানে তাহার অন্যথ| দেখি। ব্রন্ম সর্বব্যাপী আর ধাহাকে তাহার দ্বারী কহ তেহো৷ মনের অথবা হস্তের কৃত্রিম হয়েন কখন তীহার স্থিতি হয় কখন স্থিতি না হয় কখন নিকটস্থ কখন দুরস্থ অতএব কি রূপে এমত বস্তুকে অন্তর্যামী সর্বব্াঁপী পরমাত্মা হইতে নিকটস্থ স্বীকার করিয়। ব্রহ্ম প্রাপ্তির সাঁধন কহা! যায়। তৃতীয়ত চৈতন্যাদ্ি রহিত বস্তু কি রূপে এই মত মহৎ সহায়তার ক্ষমতা- পন্ন হইতে পারেন। মধ্যে মধ্যে কহিয়া থাকেন যে পৃথিবীর দমকল লোকের যাহা মত হয তাহা! ত্যাগ করিধা ছুই এক ব্যক্তির কথা গ্রাহ্া কে করে আর পূর্বের কেহো পণ্ডিত কি ছিলেন না৷ এবং অন্য কেহ পণ্ডিত কি

ংসাঁরে নাই যে তাহার! এই মৃতকে জানিলেন না এবং উপদেশ করিলেন না। যদ্যপিও এমত সকল প্রশ্নের শ্রবণে কেবল মানস দুঃখ জন্মে তত্রী- পি কার্ধ্যান্থরোধে উত্তর দিয়া যাইতেছে প্রথমত একাল পথ্যান্ত পৃথিবীব যে সীমা আমর! নিদ্ধীরণ করিয়াছি এবং যাতায়াত করিতেছি তাহার বিংশতি অংশের এক অংশ এই হিন্দোস্থান না হয়। হিন্দুরা যে দেশেতে প্রচুর রূপে বাস করেন তাহাকে হিন্দোস্থান কা যায়। এই হিন্দোস্থান ভিন্ন অর্ধেক হইতে অধিক পৃথিবীতে এক নিরপ্জীন পরত্রদ্মের উপাসনা লোকে করিয়! থাকেন এই হিন্দোস্থানেতেও শাস্ত্রোক্ত নির্ববাণ সম্প্রদা এবং নানক সম্প্রপা আর দাছু সম্প্রদা এবং শিবনারায়ণী প্রভৃতি অনেকে কি গৃহস্থ কি বিরক্ত কেবল নিরাকার পরমেশ্বরের উপাসনা! করেন তবে কি রূপে কহেন যে তাবৎ পূঁথিবীর মতের বহিভূতি এই ব্রন্ষোপাসনার মত হয়। আর পূর্বেও পণ্ডিতের! যদ্দি এই মতকে কেহো৷ না জানিতেন এবং উপদেশ না করিতেন তবে তগবান বেদব্যাম এই নকল শ্ুত্রকি রূপ করিয়া লোকের উপকারের নিমিত্ত প্রকাশ করিলেন এবং বাদরি বশিষ্ঠা্দি আচার্য্েরা কি প্রকারে এইরপ ব্রদ্ষোপদেশে প্রচুর গ্রন্থ প্রকাশ টরিয়াছেন। তগবান শঙ্করাচার্য্য এবং ভাঁষ্যের টীকাকার সকলেই কেবল

( ১৬)

বরক্ম স্থাপন এবং ব্রক্ষোপাদনার উপদেশ করিয়াছেন নবা আঁটীর্যয গুরু নানক প্রভৃতি এই ব্রন্ষোপাসনাকে গৃহস্থ এবং বিরক্তের প্রতি উপদেশ _ করেন এবং আধুনিকের মধ্যে এই দেশ অবধি পঞ্মীব পথ্যন্ত সহঅ সহম্র লোক ব্রন্ধোপাদক এবং ব্রহ্ম বিদ্যার উপদেশ কর্তা আছেন তবে আমি যাহা না জানি সে বস্তু অপ্রসিদ্ধ হয় এমত নিয়ম যদি করহ তবে ইহার উত্তর নাই। এতদ্দেশীয়ের! যদ্দি অনুসন্ধান আর দেশ ভ্রমণ করেন তবে কদাপি সকল কথাতে যে পৃথিবীর এবং সকল পণ্ডিতের মতের ভিন্ন হয় এমত বিশ্বাস করিবেন না আনাদিগ্যের উচিত যে শাস্ত্র এবং বুদ্ধি উভয়ের নিষ্ধীরিত পথের সর্কথ! চেষ্ট৷ করি এবং ইহার অবলম্বন করিয়া ইহ লোকে পর লোকে কৃতার্থ হই।

67 গু তম কোন কোন শ্র্তির অর্থের এবং তাৎপর্য্যের হঠ।২ অনৈক্য বুঝায় যেমন এক শ্রুতি ব্রক্ম হইতে জগতের উৎপত্তি আর এক

শ্রুতি আকাশ হইতে বিশ্বের জম্ম কহেন আর যেমন এক শ্রতি ব্রদ্দের

উপাদনাতে প্রত্ত্ত করেন অন্য শ্রতি সুর্যের কিন্বা বায়ুর উপাসনার জ্ঞা- পক হয়েন এবং কোন কোন শ্র্তি বিশেষ করিমা বিররণের অপেক্ষা করেন যেমন এক শ্রুতি কহেন যে পাঁচ পাঁচ জন। ইহাতে কি রূপ পচ পচ জন স্পস্ট বুঝায় নাই। এই নিমিত্ত পরম কারুণিক ভগবান বেদব্যাস পাঁচশত পঞ্চাশত অধিক সুত্র ঘটিত বেদান্ত শাস্ত্রের বারা সকল শ্রুতির সমন্বয় অর্থাৎ অর্থ তাৎপর্য্যের ধক্য এবং বিশেষ বিবরণ করিয়া কেবল ব্রন্ধ সমুদায় বেদের গ্রতিপাদা হয়েন ইহা স্পন্ট করিলেন যেহেতু বেদে পুনঃ পুনঃ প্রতিজ্ঞা করিতেছেন যে সমুদয় বেদে ব্র্ষকে কহেন এবং ব্রহ্মই বেদের প্রতিপাদ্য হয়েন। ভগবান পূজ্যপাদ শঙ্করাচাধ্য ভাষ্যের দ্বারা & শান্্রকে পুরাঁয় লোক শিক্ষার্থে স্বগম করিলেন বেদান্ত শাস্ত্রের প্রয়োজন মোক্ষ হয় আর ইহার বিষয় অর্থাৎ তাৎপর্যয বিশ্ব এবং ব্রন্মের ধক্য জ্ঞান অতএব শাস্ত্রের. প্রতিপাদ্য ব্রঙ্গ আর শাস্ধ্ ব্রদ্ষের প্রতিপাদক হয়েন।

ও" ব্রহ্গণে নমঃ তৎসৎ অথাতো ব্রঙ্গজিজ্ঞাসা ১॥ চিত্ত শুদ্ধি হইলে পর ব্রহ্মজ্ঞানের অধিকার হয় এই হেতু তখন ব্রক্ষ বিচারের ইচ্ছা জন্ঘে ব্রহ্ম লক্ষ্য এবং বুদ্ধির গ্রাহা না হয়েন তবে কি রূপে রহ্ধ তত্বের বিচার হইতে পারে এই সন্দেহ পর স্ত্রে দর করিতেছেন। জন্মাদ্যস্য য়তঃ॥ ২॥ এই বিশ্বের জন্ম স্থিতি নাশ যাহা হইতে হয় তিনি বর্ম অর্থাৎ বিশ্বের জন্ম স্থিতি তের বার! ব্রহ্ষকে নিশ্চয় করি। যেহেতু কাধ্য থাকিলে কারণ থাঁকে কাধ্য না থাকিলে কারণ থাকে না| বর্ষের এই তটস্থ লক্ষণ হয় তাহার কারণ এই জগতের দ্বারা ব্রক্মকে নির্ণয় ইহাতে করেন। ব্রহ্ষের স্বরূপ লক্ষণ বেদে কহেন যে সত্য সর্ধজ্ঞ এবং মিথ্য! জগৎ যাহার সত্যতা দ্বারা সত্যের ন্যায় দৃষ্ট হইতেছে যেমন মিথ্যা সর্প সত্যয়জ্জ.কে আশ্রয় করিয়া মর্পের ন্যায় দেখায় শ্রুতি এবং স্থৃতির প্রামীণের দ্বার বেদের নিত্যতা দেখি অতএব ব্রহ্ম বেদের

রঃ

(১৮ )

কারণ নাহয়েন। সন্দেহ পরন্মত্রে দ্র করিতেছেন। শাল্সযৌনি- স্বাৎ॥ শাস্ত্র অর্থাৎ বেদ তাহার কারণ ব্রহ্ম অতএব সুতরাং জগৎ কারণ ব্রহ্ম হয়েন। অথবা শান্ত বেদ সেই বেদে ব্রন্ের প্রমাণ পাওয়া যাই- তেছে যেহেতু বেদের দ্বারা ব্রক্মের জগতকর্তৃত্ব নিশ্চিত হয় বেদ ক্ষকে কহেন এবং কর্্মকেও কছেন তবে সমুদাঁয় বেদ কেবল বর্গের প্রমাণ কি কূপ হুইতে পারেন এই সন্দেহ দর করিতেছেন তত্ব, সমন্ব- যা ৪॥ ব্রঙ্গই কেবল বেদের প্রতিপাদ্য হয়েন সকল বেদের তাৎপর্ষ্য ব্রঙ্গে হয়। যেহেতু বেদের প্রথমে এবং শেষে আর মধ্যে পুনঃ পুনঃ ব্রক্ম কথিত হইয়াছেন। সর্ষে বেদা য়ৎ পদমামনস্তি ইত্যাদি শ্রুতি ইহার প্রমাণ। কর্মমকাণ্তীয় শ্রুতি পরম্পরায় ব্রন্মকেই দেখান যেহেতু শান্ত- বিহিত কর্মে প্র্নত্তি থাকিলে ইতর কর্ম, হইতে নিরত্ত হইয়! শুদ্ধি হয় পশ্চাৎ জ্ঞানের ইচ্ছা জঙ্বে ॥৪॥ বেদে কহেন সৎ স্থ্টির পূর্বের ছিলেন অতএব মত শব্দের দ্বারা প্রক্কতির জ্ঞান কেন না হয় এই সন্দেহ দুর করিতেছেন। ইক্ষতের্নাশবং স্ভাৰ জগৎ কারণ ন| হয় যেহেতু শব্দে অর্থাৎ, বেদে স্বভাবের জগৎ কর্তৃত্ব কহেন নাই সৎ শব্দ যে বেদে কহিয়াছেন তাহার নিত্য ধর্ম চৈতন্য। কিন্তু স্বভাবের চেতন নাই যে- হেতু ইক্ষতি অর্থাৎ ্যা্টর সংকণ্প করা চৈতন্য অপেক্ষা রাখে সে চৈতন্য বরন্মের ধর্ম্দ হয় গ্রাকৃতি প্রভৃতির ধর্ম নহে গৌণশ্সেন্নাত্বশব্দাঁৎ যেমত তেজের দৃষ্টি এবং জলের দৃ্টি বেদে গৌণ রূপে কহিতেছেন সেই রূপ এখানে প্রকৃতির গৌণ দৃর্টির অঙ্গীকার করিতে পারা যায় এমত নহে। যেহেতু এই শ্রুতির পরে পরে সকল শ্রুতিতে আত্ম শব্দ চৈতন্য বাচক হয় এমত দেখিতেছি অতএব এই স্থানে ইক্ষণ কর্তা কেবল চৈতন্য স্বরূপ আত্মা হয়েন আত্মীশব্দ নানার্থবাচী অতএব এখানে আত্মা- শব্দ দ্বারা প্রকৃতি বুঝায় এমত নহে তন্নিষ্ঠস্য মোক্ষোপদেশাৎ যেহেতু আত্মনিষ্ঠ ব্যক্তির মোক্ষ ফল হয় এই রূপ উপদেশ শ্বেতকেতুর প্রতি শ্র্ঘতিতে "দেখ! যাইতেছে আত্মশব্দ দ্বার। এখানে জড় রূপা ্রক্কৃতি অভিপ্রীয় করহ তবে শ্বেতকেতুর চৈতন্য নিষ্ঠতা না হুইয়! জড় নিষ্ঠতা দোষ উপস্থিত হয় ৭॥ লোক রৃক্ষ শাখাতে কখন আকাশস্থ

( ১৯) চক্ত্রকে দেখায়। সেই রূপ সৎ শব্দ প্রকৃতিকে কহিয়াও পরম্পরায় স্ত্র্গকে কহে এমত না হয়। হোয়ত্বাবচনাচ্চ যেহেতু শাখ। দ্বারা

যে ব্যক্তি চন্ত্র দেখায় মে ব্যক্তি কখন শাখাকে হেয় করিয়া! কেবল চন্দ্রকে,

দেখায় কিন্তু সৎ শব্দেতে কোন মতে হেয়ত্ব করিয়া বেদেতে কথন নাই। সুত্রে যে শব্দ আছে তাহার দ্বারা অভিপ্রায় এই যে একের অর্থাৎ গ্রেক্ক- তির জ্ঞানের দ্বারা অন্যের অর্থাৎ ব্রন্ষের জ্ঞান কি রূপে হইতে পারে স্বাপ্যয়াৎ॥ এবং আত্মাতে জীবের অপ্যয় অর্থাৎ লয় হওয়া! বেদে শুন] যাইতেছে প্রকৃতিতে লয়ের শ্রুতি নাই গতিসাঁমান্যাৎ ১০ এই রূপ বেদেতে দম ভাবে চৈতন্য স্বরূপ আত্মার জগৎকারণত্ব বোধ হইতেছে ১০ শ্রুতত্বাচ্চ ১১ ॥: সর্দ্মজ্ঞের জগত্কারণত্ব সর্ঝত্র শ্রুত হইতেছে অতএব জড় স্বরূপ স্বভাব জগৎ কারণ ন] হয় ১১॥ আনন্দ- ময় জীব এমত শ্র্তিতে আছে অতএব জীব সাক্ষাৎ আনন্দময় হয় এমত নহে। আনন্দময়োভ্যাসাৎ ১২ ব্রহ্ম কেবল সাক্ষাৎ আনন্দময় যেহেতু পুনঃ পুনঃ শ্রতিতে ব্রহ্মকে আনন্দময় কহিতেছেন। যদি কহ শ্র্গতি পুনঃ পুনঃ ব্রহ্গকে আনন্দ শব্দে কহিতেছেন আনন্দময শব্দের কথন পুনঃ পুনঃ নাই। তাহার উত্তর এই যেমন জ্যোতিষের দ্বার! যাগ করিবেক যেখানে বেদে কহিয়াচ্েন সেখানে তাৎপর্যা জ্যোতিষ্টোমের দ্বারা যাগ করিবেক সেইরূপ আনন্দ শব্দ আনন্দময় বাচক। তবে আনন্দময় ব্রহ্ম লোকে জীব রূপে শরীরে প্রতীতি পান মে কেবল উপাধি দ্বাবা অর্থাৎ স্বধর্মম তাগ করিয়া পর ধর্মে প্রকাশ পাইতেছেন। যেমন সুর্সা জলাধার স্থিত হইয়া] অধস্থ এবং কম্পাধিত হইতেছেন। বস্তৃত সেই জলাধার উপাধি তগ্ন হইলে সুর্য্ের অধস্থিতি এবং কম্পাদির অনুভব আর থাকে নাই সেই রূপ জীব মায়] ঘটিত উপাধি হইতে দূর হইলে আনন্দময় ব্রহ্ম স্বরূপ হয়েন এবং উপাধি জন্য স্বুখ দুঃখের যে অনুভব হইতেছিল সে অন্ু- তব আর হইতে পারে নাই"॥ ১২॥ বিকারশব্ডান্্েতি চেন প্রাচু্য্যাৎ ॥১৩॥ আনন্দ শব্দের পর বিকারার্থে ময়ট প্রত্যয় হয়। এই হেতু আনন্দময় শব্দ বিকারীকে কয় অতএব যে বিকারী সে আনন্দময় ঈশ্বর হইতে পারে নাই এই মত সন্দেহ করিতে পার না। যেহেতু যেমন ময়ট প্রত্যয় বিকারার্থে

ভা

(২) হয় সেই রূপ প্রচুর অর্থে ময়ট প্রত্যয় হয় এখানে আনন্দের প্রচুরতা অভিপ্রায় হয় বিকার অভিপ্রায় নয় ১৩ তদ্ধেতুত্বব্যপদেশীচ্চ ১৪। আনন্দের হেতু ব্র্ম হয়েন যেহেতু শ্রুতিতে এই রূপ বাপদেশ অর্থাৎ কথন আছে অতএব ব্রহ্মই আনন্দময়। যদি কহ ব্রদ্ম মায়াকে আশ্রয় করিয়া জীব হয়েন তবে জীব আনন্দের হেতু কেন না হয়। তাহার উত্তর এই যে নির্মল জল হইতে যে কার্ধ্য হয় তাহা জলবৎ ছুগ্ধ হইতে হইবেক নাই ॥১৪॥ মাস্রবর্মিকমের গীয়তে ১৫ মন্ত্রে যিনি উক্ত হয়েন তিহে?। মাস্তরবর্ণিক সেই মাস্তরবর্ণিক ব্রহ্ম তীহাকেই শ্রতিতে আনন্দময় রূপে গান করেন ১৫॥ নেতরোধমুপপত্তেঃ ১৬॥ ইতর অর্থাৎ জীব আনন্দময় জগৎ কারণ না হয় যেহেতু জগৎ স্কার্ট করিবার সংকপ্প জীবে আছে এমত বেদে কহেন নাই ১৬ | ভেদবাপদেশাচ্চ ১৭॥ জীব আনন্দময় না হয় যেহেতু জীবের ব্রচ্ষ প্রাপ্তি হয় এমতে জীব আর ব্রহ্ষের ভেদ বেদে দেখিতেছি ১৭ কামাচ্চ নান্ুমানাপেক্ষা ১৮ অনুমান শব্দের দ্বারা প্রধান বুঝায়। প্রধানের অর্থাৎ স্বভাবের আনন্দময় রূপে স্বীকার করা যায়.নাই। যেহেতু কাম শব্দ বেদে দেখিতেছি অর্থাৎ স্ষ্টির পূর্ব ক্ষ্টির কামনা ঈশ্বরের হয় প্রধান জড় দ্বরূপ তাহাতে কামনার সন্তাবনা নাই ১৮ তন্মিক্নল্া তদ্‌যোগং শাস্তি ১৯॥ তন্মিন্‌ অর্থাৎ ব্ন্মেতে অস্য অর্থাৎ জীবের মুক্তি হইলে সংযোগ অর্থাৎ একত্র হওয়! বেদে কহেন অতএব ব্রহ্মই আনন্দময় ১৯ হযে অন্তর্বর্তী দেবতা যে বেদে শুনি দে জীব হয় এমত নহে অত্তস্তদ্ধর্মোপদেশীৎ ২০ অস্তঃ অর্থ,ৎ শূ্যান্তর্কর্তী রূপে ব্রক্ম হয়েন জীব না হয় যেহেতু ব্রহ্ম ধর্মের কথন স্ুর্ধ্যা ্র্স্ী দেবঙাতে আছে অর্থাৎ বেদে কহেন স্্যান্তর্ধবত্তী খগ্থেদ হয়েন এবং সাম হয়েন উকথ হযেন যুর্বেবদ হয়েন এরূপে সর্বত্র হওয়া ব্রদ্ধের র্ হয় জীবের ধর্ণ নয় ২০ ভেদব্যপদেশীচ্চানাঃ ২১ স্্যাস্তরস্তী পুরুষ পূর্ঘ্য হইতে অন্য হয়েন যেহেতু সুর্যের এবং দূ্্যা্র্তীর ভেদ ফথন বেদে আছে ২১॥ লৌকের গতি আকাশ হয় বেদে কহেন আকাশ শব্দ হইতে ভূতাকাশ তাৎপর্য হয় এরমত নহে। আকাশত্তল্লি জ্জাং॥ ২২॥ লোকের গতি আকাশ যেখানে বেদে কহেন সে আকাশ

শব্দ হইতে ব্র্ম প্রতিপাদ্য হয়েন যেহেতু বেদে আকাশকে ব্রঙ্গ রূপে কহিয়াছেন। যে আকাশ হইতে সকল ভূত উৎপন্ন হইতেছেন সকল ভূতকে উৎপন্ন কর! ব্র্ষের কার্ধ্য হয় ভূতাকাশের কার্য্য নয় ২২॥ বেদে ' কহেন ঈশ্বর প্রাণ হয়েন অতএব এই প্রাণ শব্দ হইতে বায়ু প্রতিপাদ্য হয় এমত নহে। অতএব প্রাণঃ ২৩ বেদে কহিতেছেন যে প্রাণ হইতে সকল রিশ্ব হয়েন এই প্রমাণে এখানে প্রাণ শব্দ হইতে বঙ্গ তাৎপর্য্য হয়েন বায়ু তাৎ্পর্ধ্য নঘ যেহেতু বায়ুর থা কর্তৃত্ব নাই ॥২৩॥ বেদে যে জ্যোতিকে স্বর্গের উপর কহিয়াছেন সে জ্যোতি পৃথিব্যাদি পঞ্চভূতের এক ভূত হয় এমত নছে। জ্যোতিশ্ঠরণাভিধানাৎ। ২৪ জ্যোতিঃ শব্দে এখানে ব্রহ্ম প্রতিপাদা হয়েন যেহেতু বিশ্ব সংসারকে জ্যোতিঃ ব্রন্ষের পাঁদ রূপ করিয়া অভিধান অর্থাৎ কথন আছে। জামান্য জ্যোতির পাদ বিশ্ব হইতে পারে না ২৪ ছন্দোইভিধানান্েতি চেন্ন তথ! চেতোর্পণনিগদাত্ত- থাছি দর্শনং ২৫ বেদে গায়ত্রীকে বিশ্বরূপ করিয়া কহেন অতএব ছন্দ অর্থাৎ গায়ত্রী শব্দের দ্বারা ব্রহ্ম না হইয়া গায়ত্রী কেবল প্রতিপাদ্য হয়েন এমত নহে যেহেতু ব্রন্মের অধিষ্ঠান গায়ত্রীতে লোকের চিত্ত অর্প- ণের জন্যে কথন আছে এই রূপ অর্থ বেদে দৃষ্ট হইল ২৫॥ ভূতাদি- পাঁদবাপদেশোপপত্তেশ্ৈবং ২৬ এবং অর্থাৎ এই রূপ গায়ত্রী বাক্যে রহ্মই অভিপ্রায় হয়েন যেহেতু ভূত পৃথিবী শরীর হৃদয় সকল গায়- ত্রীর পাদ রূপে বেদে কথন আছে। অক্ষর সমূহ গায়ত্রীর সকল বস্তু পাদ হইতে পারে নাই। কিন্তু ব্রদ্দের পাদ হয় অতএব ব্রক্ষই এখানে অভিপ্রেত ॥২৬॥ উপদেশতেদান্নেতি চেম্ন উভয়ন্মিন্প্য- বিরোধাত ২৭॥ এক উপদেশেতে ব্ন্গের পাদের স্থিতি স্বর্গে পাওয়া যায় দ্বিতীয় উপদেশে স্বর্গের উপর পাদের স্থিতি বুঝায় অতএব এই উপদেশ ভেদে ব্রদ্ষের পাদের প্রক্যতা না হয় এমত নহে। যদ্যপিও আধারে অবধিতে ভেদ হয় কিন্ত উভয় স্থলে উপরে স্থিতি উভয় পাদের কথন আছে অতএব অবিরোধেতে দুইয়ের ধরক্য হইল। ব্রহ্গকে যখন বিরাট রূপে স্থল জগৎ স্বরূপ করিয়া বর্ণন করেন তখন জগতের এক

এক দেশকে ব্রন্ষের হস্ত পাদাদি করিয়। কহেন বস্কৃত তাহার হস্ত পাদ 2৬৯, 22.

( ১৯২ )

আছে এমত তাথ্পর্ধ্য না হয় ॥২৭॥ আমি প্রাণ প্রজ্ঞাত্ব। হই ইতি শ্রুতির দ্বারা প্রাণ বায়ু উপাস্য হয় কিম্বা জীব উপান্য হয় এমত নহে। প্রাণস্তথান্থগমাৎ ২৮ প্রাণ শব্দের এখানে ব্রহ্ম কথনের অন্ুগম অর্থাৎ উপলদ্ধি হইতেছে অতএব প্রাণ শব্দ এই স্থলে ব্রহ্গবাচক কারণ এই যে সেই প্রাণকে পর শ্রুতিতে অমৃত অর্থাৎ ব্রহ্ষরূপ করিয়া কহিয়া- ছেন॥২৮॥ বক্ত,রাত্মোপদেশাদিতি চে অধ্যাত্বভূম। হাম্মিন্‌ ২৯ ইন্ত্র আপনার উপাসনার উপদেশ করেন অতএব বক্তার অর্থাৎ ইন্দ্রের প্রাণ উপাস্য হয় এমত নয় যেহেতু এই প্রাণ বাক বেদে কহিতেছেন যে প্রাণ ভুমি প্রাণ সকল ভূত এই রূপ অধ্যাত্্ সম্বন্ধের বাহুল্য আছে বস্তুত আত্মাকে ত্রন্মে সহিত পরক্য জ্ঞানের দ্বারা ব্রক্মাতিমানী হইয়া ইন্দ্র আপনার প্রাণের উপাসনার নিমিত্ত কহিয়াছেন ॥২৯॥ শান্দরদৃষ্টা তূপদেশোবামদেববত ৩০॥ আমার উপাসনা করহ এই বাকা আমি ব্রহ্ম হই এমত শাস্্ দৃর্টিতে ইন্দ্র কহিয়াছেন স্বতন্ত্র রূপে আপনাকে উপাস্য করিয়া কহেন নাই যেমত বামদেব আপনাকে ব্রহ্মাভিমান করিয়া আমি মন্থু হইয়াছি আমি স্র্য্য হইয়াছি এইমত বাকা নকল কহিয়াছেন॥ ৩০॥ জীবমুখ্যপ্রাণলিঙ্গান্নেতি চেন্নোপাসাত্রৈবিধ্যাদাশ্রিতত্বাদিহ তদ্যোগাৎ ॥৩১।॥ জীব আর মুখ্য প্রাণের পৃথক্‌ কথন বেদে দেখিতেছি অতএব প্রাণ শব্দ এখানে ব্রহ্মপর না হয় এমত নয়। উভয় শব্দ ব্রহ্ম প্রতিপাদক স্থলে হয় যেহেতু রূপ জীব আর মুখ্য প্রাণ এবং ব্রন্ষের পৃথক্‌ পৃথক্‌ উপাসনা হইলে তিন প্রকার উপাসনার আপত্তি উপস্থিত হয় তিন প্রকার উপাসনা অগত্যা অঙ্গীকার করিতে হইল এমত কহিতে পারিবে নাই যেহেতু জীব আর মুখ্য প্রাণ এই ছুই অধ্যাস রূপে ত্রদ্মের আশ্রিত হয়েন আর সেই ব্রক্ষের ধর্মের সংযোগ রাখেন যেমত রজ্জ.কে আশ্রয় করিয়া ভ্রমরূপ সর্প পৃথক্‌ উপলদ্ধি হইয়াও রজ্ঞ,র আশ্রিত হয় আর রজ্জ.র ধর্দ্মও রাখে অর্থাৎ রজ্জ না থাকিলে সে সর্পের উপলব্ধি আর থাকে নাঁ। এক বস্তুতে অন্য বস্তর জ্ঞান হওয়া অধ্যাম কহেন ৩১॥ ইতি প্রথমাধ্যায়ে প্রথমঃ পাদঃ।

০০

(২৩)

শতৎসত বেদে কহেন যে মনোময়কে উপদেশ করিয ধ্যান করিবেকা। এখানে মনোময়াদি বিশেষণেব দ্বারা জীব উপাসা হযেন এমত নয়। সর্বত্র প্রসিদ্ধোপদেশীৎ ১॥ সর্ধত্র বেদাস্তে প্রসিদ্ধ বন্মের উপাস- নাব উপদেশ আছে অতএব ব্রহ্ম উপাস্য হয়েন। যদি কহ মনোময়ত্ব জীব বিনা ব্রদ্মের বিশেষণ কি রূপে হইতে পাবে তাহার উত্তর এই। সর্বং খলিদং ব্রহ্ম ইতাদি শ্রুতির দ্বারা যাবৎ বিশ্ব বন্ষস্বরূপ হয়েন অত- এব সম্দায় বিশেষণ ব্রদ্ষের সম্ভব হয॥ ১॥ বিবক্ষিত গুণে।প পত্তেশ্চ ॥২॥ যে শ্রুতি মনোময বিশেষণ কভিযাছেন সেই শ্রুতিতে সতাসন্কপ্পাদি বিশেষণ দিয়াছেন এসকল সত্য সঙ্কপ্পাদি গুণ ব্রন্মেতেই সিদ্ধ মাছে ২॥ অনুপপত্তেষ্ত্র শাবীরঃ ৩॥ শারীর অর্থাৎ জীব উপাস্য না হয়েন যে হেতু মতা সঙ্কপ্পাদি গুণ জীবেতে সিদ্ধি নাই ৩॥ কর্ধাকতৃবাপদে- শাচচ॥৪॥ বেদে কহেন মৃত্যুর পরে মনোময অত্মকে জীব পাইবেক শ্রুতিতে প্রাপ্রিব কর্ম রূপে ব্রহ্মকে আর প্রাপ্থিব কর্তা রূপে জীবকে কথন আছে অতএব কর্মের আর কর্তার ভেদ দ্বার মনোময শব্দেব প্রতি- পাদ্য ব্রহ্ম হযেন জীব না হয় শব্দবিশেবাৎ বেদে হিরথাষ গুরষ রূপে ব্রহ্মকে কহিযাছেন জীবকে কছেন নাই অতএব এই সকল গব্দ সর্বময় ব্রদ্মের বিশেষণ হয় জীবের বিশেষণ হইতে পাঁরে নাই স্থতেশ্চ॥ ৬॥ গীতাদি স্ৃতির প্রমাণে ব্রহ্মই উপাস্য হয়েন অতএব জীবউপাস্য না হয়॥ অর্ভকস্তাত্বদ্যপদেশাচ্চ নেতি চেন্ন নিচাধাত্বাদেবং ব্যোম বত || বেদে কহেন ব্রহ্ম হৃদয়ে থাকেন আর বেদে কহেন ব্রদ্ধ ব্রীছি ঘব-হইতেও ক্ষুদ্র হয়েন অতএব অণ্প স্থানে যাহার বাস এবং ঘে এপর্যাস্ত ক্ষপ্র হয় সেঈশ্বর না হয় এমত নহে সকল শ্র্তি দুর্র্বলাধিকারী ব্যক্তির উপাসনার নিমিত্ত ব্র্ষকে হাদয় দেশে ক্ষুদ্র স্বরূপে বর্ণন করিয়াছেন যেমন সচের ছিদ্রকে সুত্র প্রবেশ করিবার নিমিত্ত আকাঁশশব্দে লোকে কহে ॥৭॥ নন্তোগপ্রান্তিরিতি চেন্ন বৈশেষ্যাৎ জীবের ন্যায় ঈশ্বরের সন্তোগের প্রাপ্তি আছে এমত নয় যেহেতু চিৎ শক্তির বিশেষণ ঈশ্বরে আছে জীবে নাই ॥৮॥ বেদে কোন স্থানে আগ্িকে তোক্তা রূপে বর্ণন করিয়াছেন কোন স্থানে জীবকে ভোক্তা কহিয়াছেন অতএব অগ্রি কিম্বা জীব তোক্ত! হয

8575 ঈশ্বর জগৎ ভোক্তা'না হয়েন এমত নয়। অত্তা চরাচরগ্রহণাঁৎ জগ- তের সংহার কর্তা ঈশ্বর হয়েন যেহেতু চরাচর অর্থাৎ জগৎ ঈশ্বরের তক্ষ্য ' হয় এমত বেদেতে দেখিতেছি তথাহি ব্রন্ষের ঘৃত স্বরূপ তক্ষ্য সামগ্রী মৃত্যু হয়॥৯॥ প্রকরণাচ্চ ১*॥ বেদে কহেন ব্রদ্মের জম্ম নাই মৃত্যু নাই ইত্যাদি প্রকরণের দ্বারা ঈশ্বর জগৎ তোক্তা অর্থাৎ সংহারক হ- য়েন। ১॥ বেদে কহেন হৃদয়াকাশে ছুই বস্তু প্রবেশ করেন কিন্তু পর- মাত্মার পরিমিত স্থানে প্রবেশের সম্ভাবনা হইতে পারে নাই অতএব বেদে এই চুই শব্দ দ্বারা বুদ্ধি আর জীব তাৎপর্য হয় এমত নছে। গুহাং প্রবিব্টাবাত্মানে হি তদ্দর্শনীৎ ১১॥ জীব আর পরমাত্ম। হৃদয়াকাশে প্রবিষ্ট হয়েন যেহেতু এই ছুইয়ের চৈতন্য স্বীকার করা ষায় আর ঈশ্বরের হৃদয়াকাশে প্রবেশ হওয়া অসম্ভব নহে যেহেতু ঈশ্বরের হৃদয়ে বাঁস হয় এমত বেদে দেখিতেছি আর সর্ধময়ের সব্ধাত্র বামে আশ্চর্য কি হয় ॥১১॥ বিশেষণাঁচি ১২॥ বেদে ঈশ্বরকে গম্য জীবকে গন্ত] বিশেষণের দ্বারা কহেন অতএব বিশেষণের দ্বারা জীব আর ঈশ্বরের তেদের প্রতীতি আছে ১২॥ বেদে কহিতেছেন ইহা অক্ষি গত হয়েন। শ্রুতি দ্বারা বুঝায় যে জীব চক্ষু গত হয় এমত নহে। অন্তর উপপত্তেঃ ১৩ অক্ষির মধ্যে ব্রদ্মই হয়েন যে হেতু সেই শ্রুতির প্রকরণে ব্রদ্ষের বিশেষণ শব্ধ অক্ষিগত পুরুষের বিশেষণ করিয়া কহিয়াছেন ১৩ স্থানানিব্যপ- দেশীচ্চ ১৪ চক্ষুস্থিত যদি ব্রহ্ম হয়েন তবে তাহার সর্ব গতত্ব থাকে নাই এমত নহে বেদে ত্রচ্ষকে অক্ষিস্থিত ইত্যাদি বিশেষণেতে উপাসনার নিমিত্ত কহিয়াছেন অতএব ব্রন্মের চক্ষুস্থিতি বিশেষণের ঘর! সর্বগতত্ব বিশেষণের হানি নাই ১৪॥ সুখবিশিষ্টীভিধানাদেবচ || ১৫॥। ব্রহ্মকে সুখ- স্বরূপ বেদে কহেন অতএব স্বখ স্বরূপ ব্রন্ষের বেদতে কথন দেখিতেছি ॥১৫॥ শ্রতোপনিষত্কগত্যভিধানাচ্চ ১৬ বেদে কহেন যে উপনিষৎ শুনে এমত জ্ঞানীর প্রাপ্তব্য বস্তু চক্ষৃস্থিত পুরুষ হয়েন অতএব চস্ষুস্থিত শব্যের দ্বারাএখানে ত্রক্ষ গ্রতিপাদ্য হয়েন ১৬॥ অনবস্থিতেরসম্ভবাচ্চ নে- তরঃ ॥॥১৭॥ অন্য উপাম্যের চক্ষুতে অবস্থিতির সন্তাবন! নাই আর অমৃতাদি বিশেষণ অপরেতে সম্ভব হয় নাই অতএব এখানে পরমাত্মা

(১৫ )

প্রতিপাদ্য হযেন ইভব অর্থাৎ জীব প্রতিপাদ্য নহে ১৭॥| প্রথিবীছে থাকেন ঠেঁহো পৃথিবী হইতে ভিন্ন শ্রতিতে পৃথিবীর অভিমানী দেবতা কিন্বা অপর কোন বাক্তি ব্রহ্ম ভিন্ন তাৎপর্য্য হয় এমত নহে। অন্তর্যামী অধিদৈবাদিখু তত্ধর্মব্যপদেশাৎ ॥১৮॥ বেদে অধি দৈবাদি বাক্য সকলেতে ব্রঙ্গই অন্তর্ধামী হযেন যেহেতু অন্তর্গামীর অমৃতাদি ধর্ম বিশে- ঘণেতে বর্ণন বেদে দেখিতেছি আর অমৃতাদি ধর্ম কেবল ব্রন্মের হয় ॥১৮॥ নচ শ্মার্তমতদ্বর্দীভিলাপাৎ ১৯॥ সাংখ্য ম্মৃতিতে উক্ত যে প্রধান অর্থাৎ প্রকৃতি সে অন্তর্পামী না হযযেহেতু প্ররূতির ধর্মের অনা ধর্মকে অন্তর্ধামীর বিশেষণ করিযা বেদে কহিতেছেন তথাহি অন্তর্ধামী অদৃন্ট অথচ সকলকে দেখেন অশ্রত কিন্ত সকল শুনেন এসকল বিশেষণ বর্গের হয স্বভাবের না হয় ॥১৯॥ শারীরশ্ঠোভর়েগিহি ভেদেনৈনমধীয়তে ॥২০॥ শীরীর অর্থাৎ জীব অন্তর্যামী না হয় যেহেতু কান্ব এবং মধ্যন্দিন উত- য়েতে বক্গকে জীব হইতে ভিন্ন এবং জীবের অন্তর্ধামী স্বরূপে কহেন ॥১০। বেদেতে ব্রন্মকে অদৃশা বিশেষণেতে কহেন আর বেদে কহেন যে পণ্ডিত সকল বিশ্বে কাবণকে দেখেন অতএব অদ্শ ব্রহ্ম বিশ্বের কারণ না হইয়া প্রধান আর্থাৎ স্বভাব বিশ্বের কাবণ হয় এমত নহে। অদৃশ্য- ত্বাদিখণকোধর্ম্োন্তেঃ ॥২১॥ অদ্রশ্যাদি গুণ বিশিষ্ট হইয়! জগৎ কাঁরণ ব্রহ্ম হযেন যেহেতু সেই প্রকরণের শ্রুতিতে সর্ব্ঞাদি ব্রক্গ ধর্শের কথন আছে। যদি কহ প্িতেবা অদৃশাকে কি মতে দেখেন তাহার উত্তর এই জ্ঞানের দ্বাবা দেখিতেছেন ২১॥| বিশেষণভেদব্যপদেশাভ্যাঞ্চ নেতরৌ ২২ বেদে ব্রহ্মকে অমূর্ত পুকষ বিশেষণের দ্বারা কহিয়াছেন আর প্রকৃতির এবং জীব হইতে শ্রেষ্ঠ করিয়া ব্রহ্মকে কহিয়াছেন অতএব এই বিশেষণ আর জীব প্ররুতি হুইতে ব্রহ্ম পৃথক এমত দৃষ্টির দ্বারা জীব এবং প্রক্কৃতি বিশ্বের কারণ না হয়েন ২২ রূপোপন্যাসাচ্চ ১৩। বেদে কহেন বিশ্বের কারণের মস্তক অগ্নি ছুই চক্ষু চন্দ সূর্য্য এইমত রূপের আরোপ সর্ধগত ব্রহ্ম বাতিরেকে জীবে কিন্বা স্বভাবে হইতে পারে নাই অতএব ব্রন্মই জগৎ কারণ ২৩॥ বেদে কহেন বৈশ্বানরের উপাসন' করিলে সর্ব ফল প্রাপ্ি হয় সমতএব বৈশ্বীনব শব্দের দ্বাবা জঠরাগ্ি গ্রতি-

( ২৬ )

পাদ্য হয এমত নহে বৈশ্বীনবঃ সাধারণশব্দবিশেষাঁৎ ২৪॥ যদাপি আত্ম শব্দ সাঁধারণেতে জীবকে এবং ব্রহ্কে বলে এৰং বৈশ্বানর শব্দ _ জঠরাগ্রিকে এবং সামান্য অগ্িকে বলে কিন্তু ত্রহ্মধর্ম বিশেষণের দ্বারা এখানে বৈশ্বানর শব্দ হইতে ব্রহ্ম তীৎুপর্যা হয়েন যেহেতু শ্রুতিতে ব্বর্গকে বৈশ্বানরের মস্তক রূপে বর্ণন করিয়াছেন ধর্ম ব্রহ্ম বিনা অপরের হইতে পারে নাই ॥২৪॥ ন্মর্যমানান্থমানং স্যাদিতি ২৫ স্মৃতিতে উক্ত যে অনুমান তাহার দ্বারা এখানে বৈশ্বানর শব্দ পরমাঁত্বী বাচক হয যেহেতু স্থৃতিতেও কহিয়াছেন যে অগ্নি ব্রদ্মের মুখ আর স্বর্গ ব্রন্মের মস্তক হয় ॥২৫॥ শব্দাদিভ্যোহন্তঃপ্রতিষ্ঠানান্নেতি চেন্ন তথা দুষ্ট 7পদেশীদফন্তবাৎ পুরুষ- মপি চৈনমধীয়তে ২৬॥ পৃথক পৃথক শ্র্তি শব্দের দ্বারা এবং পুরুষে অস্তঃ গ্রতিষ্ঠিতং শ্র্গতির দ্বার! বৈশ্বানর এখানে প্রতিপাদ্য হয় পবমাত্া প্রতিপাদ্য নহেন এমত নহে যেহেতু উপাসনা নিমিত্ত সকল কাণ্গনিক উপদেশ হয় আর স্বর্গ এই সামান্য বৈশ্বানরের মস্তক হয় এমত বিশেষণ অসম্ভব এবং বাজনেয়ীরা আত্মা পুরুষকে বৈশ্বানর বলিয়। গান করেন অতএব বৈশ্বীনর শব্দে এখানে ব্রহ্ম তাৎপর্য হযেন ২৬ অতএব দেবতা! ভূতঞ্চ ২৭ পূর্বোক্ত কাৰণ সকালর দ্বারা বৈশ্বানর শব্দ হইতে অগ্নির অধিষ্ঠাত্রী দেবতা অর্থাৎ পঞ্চভূতের তৃতীয় ভূত তাৎ- পর্য্য নহে পরমাত্বীকে উপাসনার নিমিত্ত বৈশ্বানরাদি শব্দ দ্বারা" বর্ণন করিয়াছেন ২৭ সাক্ষাদপ্যবিরোধং জৈমিনিঃ ২৮ বিশ্ব সংসারের নর অর্থাৎ কর্তা বৈশ্বানর শব্দের সাক্ষাৎ অর্থ আর অগ্র্য অর্থাৎ উত্তম জন্ম দেন অগ্নি শব্দের অর্থ এই ছুই সাক্ষাঁৎ অর্থের দ্বারা বৈশ্বানর অগ্নি শব্দ হইতে পরমাত্ব! প্রতিপাদ্য হইলে অর্থ বিরোধ হয় নাই এমত জৈ- মনিও কহিয়াছেন ২৮ যদি বৈশ্বানর এবং অগ্নি শব্দের দ্বারা পরমাত্মা

তাণুপর্য্য হুয়েন তবে সর্ব ব্যাপক পরমাত্বার প্রাদেশ মাত্র হওয়া কি রূপে সন্তব হয়। অভিব্যক্তেরিত্যাশ্মরথ্যঃ ২৯ আশ্মরথ্য কহেন যে উপলব্ধি নিমিত্ত পরমাত্বাকে প্রাদেশ মাত্র কহা অনুচিত নহে ২৯॥

. অনুস্থৃতের্ববাদরিঃ ৩০॥ পরমাত্মীকে প্রাদেশ মাত্র কা অনুস্থৃতি অর্থাৎ

ধ্যান নিগিত্ত বাদরি মুনি কহিয়াছেন ৩০॥ সংপত্তেরিতি জৈমিনি-

৮১831 স্তথাহি দর্শঘতি ৩১॥ উপাসনার নিমিত্ত প্রাদেশ মাত্র এরূপে পরমী- ত্বকে কহা স্থদিদ্ধ বটে জৈমিনি কহিযাছেন এবং শ্রুতিও ইহা কহিয়া- ছেন ৩১॥ আমনস্তি চৈনমন্মিন ৩২॥ পরমাত্বাকে বৈশ্বানর স্বরূপে শ্রুতি সকল স্পন্ট কহিয়াছেন তথাহি তেজোময় অমৃতময় পুরুষ অগ্নিতে আছেন অতএব সর্ধাত্র পরমাত্ত্ব উপাসা হয়েন ৩২ ইতি প্রথমাধ্যায়ে দ্বিতীয়: পাদ?

পাসপারিসাে 2২৭»

(২৮ )

ওতৎসৎ বেদে কহেন যাহাতে স্বর্গ এবং পৃথিবী আছেন অতএব স্বর্গ এবং পুথিবীব আধার স্থান প্রকৃতি কিম্বা জীব হয এমত নছে। ছ্যুভাদ্যায়তর্নং স্বশব্দাৎ ॥১॥ স্বর্গ এবং পৃথিবীর আধার ব্রহ্মই হয়েন যেহেতু শ্রুতি যাহাতে স্বর্গাদের আধার রূপে বর্ণন করিয়াছেন স্ব অর্থাৎ আত্ম। শব্দ তাহাতে আছে ॥১।॥ মুক্তোপত্যপ্যত্বব্যপদেশীৎ এবং মুক্তের প্রাপ্য ব্রহ্ম হয়েন এমত কথন সকল শ্রতিতে আছে তথাহি মর্ত্য ব্যক্তি অমৃত হয় ব্রহ্মকে সে পায় অতএব ব্রহ্মই স্বর্গাদের আধার হয়েন ॥২॥ নানুমানমতচ্ছব্দীৎ অনুমান অর্থাৎ প্রকৃতি স্বর্গাদের আধার না হয় যেহেতুক সর্কক্ঞাদি শব্দ গ্রক্কৃতির বিশেষণ হইতে পাবে নাই ৩॥ প্রাণভৃচ্চ ৪॥ প্রাণভূত অর্থাৎ জীব স্বর্গান্দের আধার না হয় যেহেতু সর্বজ্ঞাদি বিশেষণ জীবেরো৷ হইতে পারে নাই অমৃতের সেতু ব্ূপে আত্মাকে বেদ সকল কহেন কিন্তু এখানে আত্মা শব্দ হইতে জীব প্রতিপাদ্য হয় এমত নহে ভেদব্যপদেশীচ্চ জীব আর আত্মার ভেদ কথন আছে অতএব এখানে আত্মা! শব্দ জীব পর নয় তথাহি সেই অস্মাকে জান ইত্যাদি শ্রুতিতে জীবকে জ্ঞাতা আত্মাকে জেয রূপে কহিয়াছেন প্রকরণীচ্চ ৬॥ ব্রহ্ম প্রকরণের শ্রুতি আত্মাকে সেতু রূপে কহিয়াছেন অতএব প্রকরণ বলের দ্বারা জীব প্রতিপাদ্য হইতে পরে নাই॥৬॥ স্থিতাদনাভ্যাঞ্চ ॥৭॥ বেদে কহেন দুই পক্ষী এই শরীরে বাস করেন এক ফল ভোগী দ্বিতীয় সাক্ষী অতএব জীবের স্থিতি এবং তোগ আছে ব্রদ্ষের তোগ নাই অতএব জীব এখানে শ্র্তির গ্রতি- পাদা না হয় ॥৭॥ বেদে কছেনযে দিক হইতেও প্রাণ ভূমা অর্থাৎ বড় হয় অতএব তূমা শব্দের প্রতিপাদ্য প্রাণ হয় এমত নহে। ভুমা সং- প্রসাদাদধাপদেশাৎ ॥৮॥ ভুমাশব্দ হইতে ব্রন্মই প্রতিপাদ্য হয়েন যে হেতু প্রাথ উপদেশে শ্রুতির পরে ভূমা শব্দ হইতে ব্রক্মই নিষ্পন্ন হয়েন এইমত : উপদেশ আছে ॥৮| ধর্ম্োপপত্তেশ্চ ॥৯॥ ভূমাশব্ ব্রহ্ম বাচক যে হেতু বেদেতে অমৃতত্ব যেব্রদ্ষের ধর্ম তাহাকে ভূমাতে প্রসিদ্ধ রূপে বর্ণন করিয়াছেন ॥৯॥ প্রণবোপাশনা গ্রকরণে ষে অক্ষর শব্দ বেদে কহিয়াছেন সেই অক্ষর বর্ণ স্বরূপ হয় এমত নহে। অক্ষরমন্থরান্তধতেঃ ১০

( ২৯ )

অক্ষর শব্দ এখানে ব্হ্ষই প্রতিপাদ্য হয়েন যে হেতু বেদে কহেন আকাশ পর্যান্ত যাবৎ বস্তুর ধারণ অক্ষর করেন অতএক ব্রহ্ম বিনা সর্ব্ব বস্তুর ধারণ! বর্ণ স্বরূপ অক্ষরে সম্ভব হয় নাই ॥১০॥ সা প্রশাসনাৎ ॥১১।॥ এই , রূপ বিশ্বের ধারণা ব্রহ্ম বিন! প্রকৃতি প্রভৃতির হইতে পারে নাই যে হেতু বেদে কহিতেছেন যে সেই অক্ষরের শীনে স্্যা চস্্র ইত্যাদি সকলে আছেন অতএব এরূপ শাসন ব্রহ্ম বিনা অপবে সম্ভব নয় ॥১১| অনাভাব- বারত্বেশ্চ ॥১২| বেদেতে অক্ষরকে অদৃষ্ট এবং দ্রক্টা রূপে বর্ণন করেন শান কর্ভাতে দুটি সন্তাবনা। থাকিলে অন্য অর্থাৎ প্রকৃতি তাহার জড়তা ধর্মের সম্ভাবনা! শাসন কর্তীতে কি রূপে থাকিতে পারে অতএব দ্রস্টা এবং শাসন কর্তা ব্রন্গ হযেন |1১২।। শ্র্তিতে কহেন ওকারের দ্বারা পরম পুকমেব উপাসনা কবিবেক আর উপানকের ব্রহ্ধলোক প্রাপ্তির শ্রবণ আছে অতএব ব্রহ্মা এখানে উপাস্য হয়েন এমত নহে ইক্ষতিকর্া- বাপদেশাৎ সঃ|১০। শ্রুতির বাকা শেষে কহিতেছেন যে উপাঁসক ব্রহ্মার পরাত্পরকে ইক্ষণ করেন অ-এব এখানে ব্রহ্মার পরাৎপরকে ইক্ষণ অর্থাৎ উপাসন। কর! দ্বারা ব্রহ্মা প্রণব মন্ত্রে উপাস্য না হয়েন কিন্ত ব্রহ্মার পরাৎপর ব্রহ্ম উপান্য হযেন ॥১৩॥ বেদে কহেন হৃদয়ে অপ্পা- কাশ আছেন অতএব অণ্পাকাশ শব্দের দ্বারা পঞ্চভূতের মধ্যে যে আকাশ গণিত হইযাছে সেই আকাশ এখানে পতিপাদ্য হয় এমত নহে দহ- বউন্তররেভাযঃ ॥১৪।॥ তরশ্রতির উত্তর উত্তর বাকোতে ব্রহ্ষমেব বিশেষণ শব্দ আছে অতএব দহরাকশ অর্থাৎ অপ্পাকাশ হইতে ব্রহ্গই প্রতিপাদ্য হয়েন ॥১৪]। গতিশব্দাভ্যাং তথা হি দৃক্টং লিঙ্গঞ্ 1১৫ গতি জীবেও হয আর ব্রহ্ম গম্য হয়েন এবং সৎ করিষা বিশেষণ পদ বেদে এই স্থানে কহিতেছেন অতএব এই সকল বিশেষণ দ্বার! ব্রন্মই হৃদয়াকাশ হ- য়েন ॥১৫। ধতে্চ মহিয়োশ্মিনন,পলব্েঃ1১৬। বেদে কহেন সকল লোকের ধারণা ব্রদ্মেতে এবং ভূতের অধিপতি রূপ মহিম। ব্রদ্ষমেতে অতএব হুৃদয়- দহরকাশ শব্দ হইতে ব্রঙ্গ প্রতিপাদ্য হয়েন ॥১৬॥ প্রতিসিদ্ধেশ্চ ॥১৭। হৃদয়ে ঈশ্বরের উপাসন! প্রসিদ্ধ হয় আকাশের উপাসনার প্রসিদ্ধি মহে অতএব দহরাকাশ এখানে তাত্পর্যয নহে ॥১| ইতরপরামর্শীৎ

( ৩০ ) সইতি চেম্নীসন্তবাঁৎ ॥১৮॥ ইতর অর্থাৎ জীব তাহার উপলব্ধি দহরাকাশ শব্দের দ্বারা হইতেছে অতএব জীব এখানে তাৎপর্য হয় এমত নহে , যে হেতু প্রাপ্তা আর প্রাপা দুইয়ের এক হইবার সন্তব হইতে পারে নাই॥১৮। অথ উত্তরাচ্ছেদাবিত9 তন্বরূপন্ত ॥১৯। ইন্রবিরোচনের প্রশ্নেতে প্রজাপতির উত্তরের দ্বারা জ্ঞান হয় যে জীব উত্তম পুরুষ হয়েন তাহার মীমাংসা এই যে ব্রদ্দের আবিভূর্ত স্বরূপ জীব হযেন অতএব জীবেতে ব্র- ক্ষেরউপন্যান এবং দহরাঁকাঁশেতে জীবের উপন্যাস অর্থাৎ আরোপণ বার্থ না হয় যেমন স্র্যোর প্রতিবিষ্বেতে স্থর্ধোৰ উপন[াস অযোগা নয ।১৯| অনা- শ্চ পরামর্শঃ ॥২০| জীবের জ্ঞান হইতে এখানে ব্রন্মজ্ঞানের প্রয়োজন হয় যেমন বিশ্ব হইতে সাক্ষাৎ স্বরূপের প্রযোজন হয় ॥২০। অপ্পশ্রত্তিরিতি চেত্রছুক্তং ॥২১॥ হৃদয়াকাশে অণ্প স্বরূপে বেদে বর্ণন কাবেন অতএব সর্বব্যাপা আত্মা কি রূপে অণ্প হইতে পাবেন তাহার উত্তব পুর্বেই কহিয়াছি যে উপাঁসনার নিমিত্ত অপ্প বোধে অতাাস কৰা যায বজ্র অল্প নহেন ॥২১। বেদে কহেন সেই শুভ্র নকল জ্োতির জোতি হয়েন অতএব এখানে প্রদিদ্ধ জ্যোতি প্রতিপাদা হয এমত নহে। অন্ুকূতেস্ত